ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ‘MindBridge’ কাউন্সেলিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে মোঃ বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সেবা নিলেন প্রায় ৭০০ মানুষ বাবার মৃত্যুতে পরীক্ষার আগের দিনই কাজ, সেই শিক্ষার্থীর পাশে ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিডিবিএফ কর্মচারী ইউনিয়নের সম্পাদক তাপস কুমার রায় বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি এনডিইউবি ইংরেজি বিভাগে শেকসপিয়ার দিবস উদযাপন তিতুমীর কলেজে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  মিঠামইনে শতদল ক্লাবের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কচুয়ায় পানের বরজে দুর্বৃত্তদের আগুন: ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, নিঃস্ব কৃষক বদর দিবস উপলক্ষে ইনসাফের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ভারত-পাকিস্তান থেকে আইসিসি ইভেন্ট স্থগিত করার দাবি পাকিস্তান কিংবদন্তির

ছবিঃ সংগৃহীত

আগামী বছর পাকিস্তানে হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বেশ টানাপোড়েন চলছে। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার চলমান দ্বন্দ্বে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজন নিয়েই জটিলতা তৈরি হয়ে গিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতীয় দল পাকিস্তানে সফর করবে না। এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক রাশিদ লতিফ দিয়েছেন অদ্ভুত এক সমাধান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার বলেছেন, ‘যতদিন পর্যন্ত এ দু’দেশের মধ্যে সমস্যাগুলি সমাধান না হবে, ততদিন তাদের গ্লোবাল ইভেন্ট আয়োজনের অধিকার স্থগিত রাখা উচিত।’ তার দাবি, ২০২৪ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত আইসিসির সব বড় আসরের আয়োজনের দায়িত্ব থেকে ভারত ও পাকিস্তানকে বাদ দেওয়া উচিত।

লতিফের মতে, ‘পাকিস্তান ও ভারত যেহেতু একে অপরের দেশে খেলতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে, তাই তাদের আয়োজক অধিকার প্রত্যাহার করে আইসিসি বিষয়টি সমাধানে কাজ করতে পারে’” তিনি এটাও জানান, ভারত ও পাকিস্তান উভয়ে আইসিসির চুক্তি অনুসারে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনে সম্মতি জানিয়েছে, যা এখন বিতর্কিত হয়ে উঠেছে।

লতিফ বলেন, ‘নিরাপত্তার কারণে সফর বাতিলের কথা বলছে বিসিসিআই, কিন্তু আইসিসি এখনও পাকিস্তানের পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেনি। বিষয়টি এভাবে তুলে ধরা ঠিক নয়, কারণ আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে এটি এখনই সমাধানযোগ্য নয়।’

এই প্রেক্ষিতে লতিফ আরো বলেন, আইসিসির উচিত হাইব্রিড মডেল নিয়ে কোনো প্রস্তাবে রাজি না হওয়া। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘এটি একটি গ্লোবাল ইভেন্ট এবং এখানে আইসিসির নিয়মই প্রধান। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ কিংবা এশিয়া কাপের মতো এ ইভেন্টে হাইব্রিড মডেলের কোনো প্রয়োজন নেই। পাকিস্তানের আয়োজনের অধিকার আছে, এবং তাতে কোনো পরিবর্তন আনা উচিত নয়।’

তিনি আরো যুক্তি দেন, ‘২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তান ভারত সফর করেছে। এখন এমন দাবি তোলা হচ্ছে যা আইনি ভিত্তি ছাড়াই তৈরি।’

অবশ্য লতিফের বিশ্বাস আসরটি পাকিস্তানে হবে এবং ভারতও অংশ নিবে।

এদিকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানের তিন শহরে—লাহোর, করাচি এবং রাওয়ালপিন্ডি। আইসিসি উইন্ডো অনুসারে ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে ৮ দলীয় এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করবে পাকিস্তান, যেখানে ভারতসহ দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশও অংশ নেবে।

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ‘MindBridge’ কাউন্সেলিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ভারত-পাকিস্তান থেকে আইসিসি ইভেন্ট স্থগিত করার দাবি পাকিস্তান কিংবদন্তির

আপডেট সময় : ১১:১১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪

আগামী বছর পাকিস্তানে হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বেশ টানাপোড়েন চলছে। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার চলমান দ্বন্দ্বে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজন নিয়েই জটিলতা তৈরি হয়ে গিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতীয় দল পাকিস্তানে সফর করবে না। এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক রাশিদ লতিফ দিয়েছেন অদ্ভুত এক সমাধান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার বলেছেন, ‘যতদিন পর্যন্ত এ দু’দেশের মধ্যে সমস্যাগুলি সমাধান না হবে, ততদিন তাদের গ্লোবাল ইভেন্ট আয়োজনের অধিকার স্থগিত রাখা উচিত।’ তার দাবি, ২০২৪ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত আইসিসির সব বড় আসরের আয়োজনের দায়িত্ব থেকে ভারত ও পাকিস্তানকে বাদ দেওয়া উচিত।

লতিফের মতে, ‘পাকিস্তান ও ভারত যেহেতু একে অপরের দেশে খেলতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে, তাই তাদের আয়োজক অধিকার প্রত্যাহার করে আইসিসি বিষয়টি সমাধানে কাজ করতে পারে’” তিনি এটাও জানান, ভারত ও পাকিস্তান উভয়ে আইসিসির চুক্তি অনুসারে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনে সম্মতি জানিয়েছে, যা এখন বিতর্কিত হয়ে উঠেছে।

লতিফ বলেন, ‘নিরাপত্তার কারণে সফর বাতিলের কথা বলছে বিসিসিআই, কিন্তু আইসিসি এখনও পাকিস্তানের পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেনি। বিষয়টি এভাবে তুলে ধরা ঠিক নয়, কারণ আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে এটি এখনই সমাধানযোগ্য নয়।’

এই প্রেক্ষিতে লতিফ আরো বলেন, আইসিসির উচিত হাইব্রিড মডেল নিয়ে কোনো প্রস্তাবে রাজি না হওয়া। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ‘এটি একটি গ্লোবাল ইভেন্ট এবং এখানে আইসিসির নিয়মই প্রধান। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ কিংবা এশিয়া কাপের মতো এ ইভেন্টে হাইব্রিড মডেলের কোনো প্রয়োজন নেই। পাকিস্তানের আয়োজনের অধিকার আছে, এবং তাতে কোনো পরিবর্তন আনা উচিত নয়।’

তিনি আরো যুক্তি দেন, ‘২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তান ভারত সফর করেছে। এখন এমন দাবি তোলা হচ্ছে যা আইনি ভিত্তি ছাড়াই তৈরি।’

অবশ্য লতিফের বিশ্বাস আসরটি পাকিস্তানে হবে এবং ভারতও অংশ নিবে।

এদিকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানের তিন শহরে—লাহোর, করাচি এবং রাওয়ালপিন্ডি। আইসিসি উইন্ডো অনুসারে ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে ৮ দলীয় এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করবে পাকিস্তান, যেখানে ভারতসহ দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশও অংশ নেবে।

কেকে