ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিঠামইনে শতদল ক্লাবের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কচুয়ায় পানের বরজে দুর্বৃত্তদের আগুন: ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, নিঃস্ব কৃষক বদর দিবস উপলক্ষে ইনসাফের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন নারী হেনস্থার প্রতিবাদে বাগেরহাটে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কড়াইল ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করল হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন ‎বাগেরহাটের ৪টি আসনের রিট নিয়ে নতুন বার্তা জেলা জামায়াত আমীরের‎ ঢাকা আলিয়ার স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে শিবিরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নোয়াখালীতে হামলার প্রতিবাদে বাগেরহাট পি.সি. কলেজে কোরআন বিতরণ

নাটোরে যুবকের চোখ তুলে নেয়ার চেষ্টা- থানায় মামলা

ছবি : সংগৃহীত

নাটোর প্রতিনিধিঃ

নাটোরের বড়াইগ্রামে নাজমুল হক(৩৫) নামের এক যুবকের চোখ তুলে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রবিবার উপজেলার বাজিতপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে বুধবার দিবাগত রাতে এ ঘটনায় তিনজনকে আসামী করে বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নাজমুল হক।

আসামীরা হলো- বাজিতপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে হাফিজুল ইসলাম(৪৫), হাফিজুল ইসলামের ছেলে তৌফিকুল ইসলাম তুষার(২২) ও স্ত্রী তাহমিনা আক্তার(৩৮)।

নাজমুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্তরা আমার প্রতিবেশী। বিভিন্নভাবে তারা আমার পরিবারকে নির্যাতন করে তাদের কলার গাছের পাতা এসে আমার বাড়ির উঠান অন্ধকার করে রাখে।

রবিবার সকালে সেই কলা গাছের পাতা কেটে পরিস্কার করছিলাম। এসময় হাফিজুল ইসলামের ছেলে ও তার স্ত্রী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে এসে গালাগাল করতে থাকে। আমি গালাগাল করতে নিষেধ করলে আমাকে মারধর শুরু করে। এসময় আমি মাটিতে পরে গেলে তারা আমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা ও চোখ তুলে নেয়ার চেষ্টা করে। আমার স্ত্রী উদ্ধার করতে এলে তাকেও মারধর ও শ্লীলতাহানি করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তিনি আরো বলেন আমার চোখের নিচে ছয়টি সেলাই দেয়া হয়েছে। চোখে ঝাপসা দেখছি। উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডলি রানী বলেন, তার চোখের নিচে ছয়টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে অভিযুক্ত হাফিজুলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের কাউকেও পাওয়া যায় নি।

বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এমএস

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে শতদল ক্লাবের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

নাটোরে যুবকের চোখ তুলে নেয়ার চেষ্টা- থানায় মামলা

আপডেট সময় : ১১:১৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

নাটোর প্রতিনিধিঃ

নাটোরের বড়াইগ্রামে নাজমুল হক(৩৫) নামের এক যুবকের চোখ তুলে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রবিবার উপজেলার বাজিতপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে বুধবার দিবাগত রাতে এ ঘটনায় তিনজনকে আসামী করে বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নাজমুল হক।

আসামীরা হলো- বাজিতপুর উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে হাফিজুল ইসলাম(৪৫), হাফিজুল ইসলামের ছেলে তৌফিকুল ইসলাম তুষার(২২) ও স্ত্রী তাহমিনা আক্তার(৩৮)।

নাজমুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্তরা আমার প্রতিবেশী। বিভিন্নভাবে তারা আমার পরিবারকে নির্যাতন করে তাদের কলার গাছের পাতা এসে আমার বাড়ির উঠান অন্ধকার করে রাখে।

রবিবার সকালে সেই কলা গাছের পাতা কেটে পরিস্কার করছিলাম। এসময় হাফিজুল ইসলামের ছেলে ও তার স্ত্রী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে এসে গালাগাল করতে থাকে। আমি গালাগাল করতে নিষেধ করলে আমাকে মারধর শুরু করে। এসময় আমি মাটিতে পরে গেলে তারা আমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা ও চোখ তুলে নেয়ার চেষ্টা করে। আমার স্ত্রী উদ্ধার করতে এলে তাকেও মারধর ও শ্লীলতাহানি করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তিনি আরো বলেন আমার চোখের নিচে ছয়টি সেলাই দেয়া হয়েছে। চোখে ঝাপসা দেখছি। উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডলি রানী বলেন, তার চোখের নিচে ছয়টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে অভিযুক্ত হাফিজুলের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের কাউকেও পাওয়া যায় নি।

বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এমএস