ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ‘MindBridge’ কাউন্সেলিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে মোঃ বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সেবা নিলেন প্রায় ৭০০ মানুষ বাবার মৃত্যুতে পরীক্ষার আগের দিনই কাজ, সেই শিক্ষার্থীর পাশে ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিডিবিএফ কর্মচারী ইউনিয়নের সম্পাদক তাপস কুমার রায় বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি এনডিইউবি ইংরেজি বিভাগে শেকসপিয়ার দিবস উদযাপন তিতুমীর কলেজে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  মিঠামইনে শতদল ক্লাবের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কচুয়ায় পানের বরজে দুর্বৃত্তদের আগুন: ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, নিঃস্ব কৃষক বদর দিবস উপলক্ষে ইনসাফের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

মোদির চীন সফর: সাংহাই সম্মেলনে কূটনৈতিক নজর দক্ষিণ এশিয়ায়

ছবি : সংগৃহীত

আগামী ২৯ আগস্ট সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিতে চিন সফর করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও উপস্থিত থাকবেন। জানা গেছে, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজেই এই দুই রাষ্ট্রনেতাকে ব্যক্তিগতভাবে স্বাগত জানাবেন। কূটনৈতিক মহলে এই পদক্ষেপকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, সফরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি এখনও পুরোপুরি প্রকাশিত হয়নি। তবে সম্মেলনের ফাঁকে একাধিক দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষত ভারত–চীন সম্পর্কের সূক্ষ্মতা এবং রাশিয়া–ভারতের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব এই সফরকে গুরুত্ব দিয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমস–এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মার্কিন বাণিজ্য নীতির চাপে ভারত এশিয়ার ভূরাজনীতি ও অর্থনৈতিক ভারসাম্যে বড় ভূমিকা নিতে চাইছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি সফরে সন্ত্রাস দমন, আঞ্চলিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন। সম্মেলনের আগে এক বক্তব্যে তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের উন্নতি তখনই সম্ভব যখন প্রতিবেশী দেশগুলো একসঙ্গে কাজ করবে। এই উক্তি আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালো করেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদির এ সফরের ফলে দক্ষিণ এশিয়া নতুন কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ পেতে পারে। বিশেষ করে এসসিওর মঞ্চ ব্যবহার করে ভারত যদি আঞ্চলিক সমস্যার সমাধানে সক্রিয় হয়, তাহলে তা ভারতের ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পুতিন–জিনপিং–মোদির একসঙ্গে বৈঠক কেবল কৌশলগত নয়, বরং প্রতীকী বার্তাও বহন করছে। বিশ্ব রাজনীতির অস্থিরতার সময়ে এই সম্মেলন দক্ষিণ এশিয়ার জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ‘MindBridge’ কাউন্সেলিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মোদির চীন সফর: সাংহাই সম্মেলনে কূটনৈতিক নজর দক্ষিণ এশিয়ায়

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

আগামী ২৯ আগস্ট সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ বৈঠকে যোগ দিতে চিন সফর করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও উপস্থিত থাকবেন। জানা গেছে, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজেই এই দুই রাষ্ট্রনেতাকে ব্যক্তিগতভাবে স্বাগত জানাবেন। কূটনৈতিক মহলে এই পদক্ষেপকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, সফরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি এখনও পুরোপুরি প্রকাশিত হয়নি। তবে সম্মেলনের ফাঁকে একাধিক দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষত ভারত–চীন সম্পর্কের সূক্ষ্মতা এবং রাশিয়া–ভারতের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব এই সফরকে গুরুত্ব দিয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমস–এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মার্কিন বাণিজ্য নীতির চাপে ভারত এশিয়ার ভূরাজনীতি ও অর্থনৈতিক ভারসাম্যে বড় ভূমিকা নিতে চাইছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি সফরে সন্ত্রাস দমন, আঞ্চলিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন। সম্মেলনের আগে এক বক্তব্যে তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের উন্নতি তখনই সম্ভব যখন প্রতিবেশী দেশগুলো একসঙ্গে কাজ করবে। এই উক্তি আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালো করেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মোদির এ সফরের ফলে দক্ষিণ এশিয়া নতুন কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ পেতে পারে। বিশেষ করে এসসিওর মঞ্চ ব্যবহার করে ভারত যদি আঞ্চলিক সমস্যার সমাধানে সক্রিয় হয়, তাহলে তা ভারতের ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পুতিন–জিনপিং–মোদির একসঙ্গে বৈঠক কেবল কৌশলগত নয়, বরং প্রতীকী বার্তাও বহন করছে। বিশ্ব রাজনীতির অস্থিরতার সময়ে এই সম্মেলন দক্ষিণ এশিয়ার জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।

কেকে