ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন নারী হেনস্থার প্রতিবাদে বাগেরহাটে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কড়াইল ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করল হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন ‎বাগেরহাটের ৪টি আসনের রিট নিয়ে নতুন বার্তা জেলা জামায়াত আমীরের‎ ঢাকা আলিয়ার স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে শিবিরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নোয়াখালীতে হামলার প্রতিবাদে বাগেরহাট পি.সি. কলেজে কোরআন বিতরণ বাগেরহাটে মাদ্রাসার গভর্নিং কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হুমকি-ধামকি ও মারধর সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার ফিকহ বিভাগে সাফল্যের জোয়ার শরীয়তপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে হেযবুত তাওহীদের মতবিনিময় সভা

স্বাস্থ্য খাতের টেকসই সংস্কারে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি : সংগৃহীত

জনগণের দোরগোড়ায় সুলভ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য খাতের টেকসই সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস’ উপলক্ষে রোববার (২৭ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস’ উদ্‌যাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য- ‘হেপাটাইটিস : লেটস্ ব্রেক ইট ডাউন’, যা হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্য অর্জনে তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, লিভার রোগ সম্পর্কে সচেতনতার অভাব, সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়া এবং নানা কুসংস্কারের কারণে বাংলাদেশে লিভারজনিত রোগের প্রকোপ দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

তিনি বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ হেপাটাইটিস-বি এবং শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ হেপাটাইটিস-সি ভাইরাসে আক্রান্ত। প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সার ও লিভার ফেইলিওরের মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন। তবে সময়মতো চিকিৎসা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করলে এসব রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব এবং সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করা যায়।

তিনি আরও বলেন, সরকার দেশের হাসপাতালগুলোর মান ও সক্ষমতা উন্নত করার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবারকল্যাণ সেবা দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মোবাইল ফোন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা চালু করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী ২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি, বেসরকারি এবং নাগরিক সমাজসহ সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নীরব ঘাতক হেপাটাইটিস প্রতিরোধে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংগঠন, গণমাধ্যম, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিক সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

স্বাস্থ্য খাতের টেকসই সংস্কারে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

জনগণের দোরগোড়ায় সুলভ ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য খাতের টেকসই সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস’ উপলক্ষে রোববার (২৭ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস’ উদ্‌যাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য- ‘হেপাটাইটিস : লেটস্ ব্রেক ইট ডাউন’, যা হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্য অর্জনে তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, লিভার রোগ সম্পর্কে সচেতনতার অভাব, সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়া এবং নানা কুসংস্কারের কারণে বাংলাদেশে লিভারজনিত রোগের প্রকোপ দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

তিনি বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ হেপাটাইটিস-বি এবং শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ হেপাটাইটিস-সি ভাইরাসে আক্রান্ত। প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ হেপাটাইটিস, লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সার ও লিভার ফেইলিওরের মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন। তবে সময়মতো চিকিৎসা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করলে এসব রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব এবং সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করা যায়।

তিনি আরও বলেন, সরকার দেশের হাসপাতালগুলোর মান ও সক্ষমতা উন্নত করার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবারকল্যাণ সেবা দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মোবাইল ফোন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা চালু করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী ২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি, বেসরকারি এবং নাগরিক সমাজসহ সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নীরব ঘাতক হেপাটাইটিস প্রতিরোধে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংগঠন, গণমাধ্যম, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিক সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।

কেকে