ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ‘MindBridge’ কাউন্সেলিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে মোঃ বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সেবা নিলেন প্রায় ৭০০ মানুষ বাবার মৃত্যুতে পরীক্ষার আগের দিনই কাজ, সেই শিক্ষার্থীর পাশে ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিডিবিএফ কর্মচারী ইউনিয়নের সম্পাদক তাপস কুমার রায় বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি এনডিইউবি ইংরেজি বিভাগে শেকসপিয়ার দিবস উদযাপন তিতুমীর কলেজে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  মিঠামইনে শতদল ক্লাবের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কচুয়ায় পানের বরজে দুর্বৃত্তদের আগুন: ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, নিঃস্ব কৃষক বদর দিবস উপলক্ষে ইনসাফের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

সরকারের নির্ধারিত দামে কেন ডিম বিক্রি হচ্ছে না?

ছবিঃ সংগৃহীত

পাইকারী ও আড়ত পর্যায় থেকে খুচরা দোকানি পর্যন্ত ইচ্ছেমতো দামেই বিক্রি ডিম বিক্রি করছেন। একইসঙ্গে পাহাড়তলী ডিমের বাজারের অধিকাংশ আড়ত তৃতীয়দিনের মত বন্ধ রেখেছেন সেখানের ব্যবসায়ীরা।

ডিম ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরকার নির্ধারিত দামে তারা ডিম সংগ্রহ করতে পারছেন না, তাই তারা বন্ধ রেখেছে দোকান। ডিমের দামের ঊর্ধ্বগতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ ভোক্তারা।

সরকার খুচরায় ১১ টাকা ৮৭ পয়সা, পাইকারিতে ১১ টাকা ১ পয়সা ও উৎপাদক পর্যায়ে ১০ টাকা ৯১ পয়সা ডিমের দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার পরও বুধবার চট্টগ্রামের কোনো বাজারে এ দামে বেচাকেনা হয়নি। বরং নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় চলে গেছে চট্টগ্রামের ডিমের বাজার। চট্টগ্রামে সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার পাহাড়তলীতে। সেখানে সরকার নির্ধারিত দামে ডিম বিক্রি হচ্ছে না। অধিকাংশ আড়তই বন্ধ।

তবে হাতেগোনা কয়েকটি দোকানে বিক্রি হলেও দাম বেশি, প্রতিটি আড়তে একশ ডিম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৮০ টাকায়। তারা জানিয়েছে তাদের ক্রয়মূল্য ১ হাজার ২২০ টাকা। শ্রমিক খরচ, পণ্য সরবরাহে ব্যয় এবং লাভসহ তারা অল্প দামেই বিক্রি করছেন দাবি ব্যবসায়ীদের। কিন্তু এ দামে ডিম কিনে ঠিক কত দামে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে তা কোনোভাবেই বুঝা যাচ্ছে না। কারণ নগরীর খুচরা দোকানে ডিম নেই; যাদের মজুত আছে, তারাও বিক্রি করছেন একেক দরে।

এদিকে পাহাড়তলী বাজারের এক পাইকার জানান, সরকার কাদের সঙ্গে আলোচনা করে ডিমের দাম নির্ধারণ করেছেন তা জানি না। তবে সোজা কথা হল ডিমের ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিতদের সঙ্গে আলাপ করেই তো দাম ঠিক করা উচিত ছিল। কিন্তু সেসব না করে সরকার দাম চাপিয়ে দিয়েছে, ফলে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। নতুন করে ডিম সরবরাহ হয়নি। যা ছিল তা দিয়েই কয়েকদিন চললেও বৃহস্পতিবার থেকে বেশিরভাগ বাজারে ডিম পাবেন না ক্রেতারা। কারণ পাহাড়তলী বাজারের বেশিরভাগ দোকান বন্ধ।

নিহাদ সাজিদ

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ‘MindBridge’ কাউন্সেলিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সরকারের নির্ধারিত দামে কেন ডিম বিক্রি হচ্ছে না?

আপডেট সময় : ০১:০৯:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪

পাইকারী ও আড়ত পর্যায় থেকে খুচরা দোকানি পর্যন্ত ইচ্ছেমতো দামেই বিক্রি ডিম বিক্রি করছেন। একইসঙ্গে পাহাড়তলী ডিমের বাজারের অধিকাংশ আড়ত তৃতীয়দিনের মত বন্ধ রেখেছেন সেখানের ব্যবসায়ীরা।

ডিম ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, সরকার নির্ধারিত দামে তারা ডিম সংগ্রহ করতে পারছেন না, তাই তারা বন্ধ রেখেছে দোকান। ডিমের দামের ঊর্ধ্বগতিতে ক্ষুব্ধ সাধারণ ভোক্তারা।

সরকার খুচরায় ১১ টাকা ৮৭ পয়সা, পাইকারিতে ১১ টাকা ১ পয়সা ও উৎপাদক পর্যায়ে ১০ টাকা ৯১ পয়সা ডিমের দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার পরও বুধবার চট্টগ্রামের কোনো বাজারে এ দামে বেচাকেনা হয়নি। বরং নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় চলে গেছে চট্টগ্রামের ডিমের বাজার। চট্টগ্রামে সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার পাহাড়তলীতে। সেখানে সরকার নির্ধারিত দামে ডিম বিক্রি হচ্ছে না। অধিকাংশ আড়তই বন্ধ।

তবে হাতেগোনা কয়েকটি দোকানে বিক্রি হলেও দাম বেশি, প্রতিটি আড়তে একশ ডিম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৮০ টাকায়। তারা জানিয়েছে তাদের ক্রয়মূল্য ১ হাজার ২২০ টাকা। শ্রমিক খরচ, পণ্য সরবরাহে ব্যয় এবং লাভসহ তারা অল্প দামেই বিক্রি করছেন দাবি ব্যবসায়ীদের। কিন্তু এ দামে ডিম কিনে ঠিক কত দামে খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে তা কোনোভাবেই বুঝা যাচ্ছে না। কারণ নগরীর খুচরা দোকানে ডিম নেই; যাদের মজুত আছে, তারাও বিক্রি করছেন একেক দরে।

এদিকে পাহাড়তলী বাজারের এক পাইকার জানান, সরকার কাদের সঙ্গে আলোচনা করে ডিমের দাম নির্ধারণ করেছেন তা জানি না। তবে সোজা কথা হল ডিমের ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে নিয়োজিতদের সঙ্গে আলাপ করেই তো দাম ঠিক করা উচিত ছিল। কিন্তু সেসব না করে সরকার দাম চাপিয়ে দিয়েছে, ফলে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। নতুন করে ডিম সরবরাহ হয়নি। যা ছিল তা দিয়েই কয়েকদিন চললেও বৃহস্পতিবার থেকে বেশিরভাগ বাজারে ডিম পাবেন না ক্রেতারা। কারণ পাহাড়তলী বাজারের বেশিরভাগ দোকান বন্ধ।

নিহাদ সাজিদ