ঢাকা ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ জুলাই ২০২৫, ২০ আষাঢ় ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নাটোরে ১২ বছরের শিশুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

মনিরুল ইসলাম ডাবলু, নাটোর প্রতিনিধিঃ

নাটোরে ইয়াসিন আলী নামে ১২ বছর বয়সী এক শিশু শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুরে শহরের আলাইপুরের একটি মেস বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশু ইয়াসিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বীরপাশা গ্রামের মনজু মিয়ার ছেলে। সে নাটোরের সুপার ফার্নিচার কারখানার শ্রমিক হিসাবে কর্মরত ছিল।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুর রহমান জানান, ফার্নিচার কারখানায় কাজ করতো শিশু ইয়াসিনসহ আরও কয়েকজন শিশু। কারখানার পাশেই একটি বাসায় ভাড়া থাকতো তারা। বৃহস্পতিবার সকালে কাজের জন্য সবাই কাজে গেলেও শিশু ইয়াসিন বাড়িতেই থেকে যায়। পরে অন্যান্য শ্রমিকরা তার খোঁজে বাড়িতে আসলে ঘরের বারান্দায় গলায় গামছা পেচানো ইয়াসিনের মরদেহ দেখতে পায় তারা।

কারখানার শ্রমিকরা জানান, গত কয়েকদিন ধরেই বাড়িতে যাওয়ার জন্য কান্নাকাটি করছিলো ইয়াসিন। তবে বাড়িতে ফোন দিলেও কেউ ফোন রিসিভ করেনি। এ থেকে অভিমানে শিশু ইয়াসিন আত্মহত্যা করতে পারে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এমএস

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে ১২ বছরের শিশুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নাটোরে ১২ বছরের শিশুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:৪১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

মনিরুল ইসলাম ডাবলু, নাটোর প্রতিনিধিঃ

নাটোরে ইয়াসিন আলী নামে ১২ বছর বয়সী এক শিশু শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুরে শহরের আলাইপুরের একটি মেস বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিশু ইয়াসিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বীরপাশা গ্রামের মনজু মিয়ার ছেলে। সে নাটোরের সুপার ফার্নিচার কারখানার শ্রমিক হিসাবে কর্মরত ছিল।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহাবুর রহমান জানান, ফার্নিচার কারখানায় কাজ করতো শিশু ইয়াসিনসহ আরও কয়েকজন শিশু। কারখানার পাশেই একটি বাসায় ভাড়া থাকতো তারা। বৃহস্পতিবার সকালে কাজের জন্য সবাই কাজে গেলেও শিশু ইয়াসিন বাড়িতেই থেকে যায়। পরে অন্যান্য শ্রমিকরা তার খোঁজে বাড়িতে আসলে ঘরের বারান্দায় গলায় গামছা পেচানো ইয়াসিনের মরদেহ দেখতে পায় তারা।

কারখানার শ্রমিকরা জানান, গত কয়েকদিন ধরেই বাড়িতে যাওয়ার জন্য কান্নাকাটি করছিলো ইয়াসিন। তবে বাড়িতে ফোন দিলেও কেউ ফোন রিসিভ করেনি। এ থেকে অভিমানে শিশু ইয়াসিন আত্মহত্যা করতে পারে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এমএস