ঢাকা ০১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন নারী হেনস্থার প্রতিবাদে বাগেরহাটে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কড়াইল ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করল হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন ‎বাগেরহাটের ৪টি আসনের রিট নিয়ে নতুন বার্তা জেলা জামায়াত আমীরের‎ ঢাকা আলিয়ার স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে শিবিরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নোয়াখালীতে হামলার প্রতিবাদে বাগেরহাট পি.সি. কলেজে কোরআন বিতরণ বাগেরহাটে মাদ্রাসার গভর্নিং কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হুমকি-ধামকি ও মারধর সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার ফিকহ বিভাগে সাফল্যের জোয়ার শরীয়তপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে হেযবুত তাওহীদের মতবিনিময় সভা

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জরুরি নির্দেশনা দিল মাউশি

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা যাতে বেহাত না হয়ে যায়, সে জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সতর্ক করে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে।

এতে বলা হয়, রাজস্ব খাতভুক্ত সব ধরনের বৃত্তি (পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও অনার্স) ও উপবৃত্তির (পেশামূলক ও তফসিলী) অর্থ ইএফটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তফসিলভুক্ত অনলাইন ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য বৃত্তির এমআইএস সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠান থেকে এন্ট্রি বা সংশোধন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে— সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাধারণ কলেজ, মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বুয়েট ও পাবলিক বা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান।

নির্দেশনায় জনানো হয়, বৃত্তি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা মাউশির ওয়েবসাইটের নোটিশ বোর্ডে আপলোড করা হয়। ফলে এ বিষয়ে কোনও তথ্য মাউশি থেকে প্রতিষ্ঠান বা অভিভাবক বা শিক্ষার্থীর থেকে চাওয়া হয় না। কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা বোর্ড, বিভিন্ন সরকারি অফিস ও বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে প্রতারক চক্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষার্থীর অভিভাবকের কাছ থেকে অর্থ, প্রতিষ্ঠানের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড, ব্যাংক সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এবং ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের পাসওয়ার্ড বা পিন নম্বর বা ওটিপি চাচ্ছে। অথচ বৃত্তির অর্থ পাঠানোর জন্য এ সংক্রান্ত কোনও তথ্য চাওয়া হয় না।

বিধায় যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার জন্য, ব্যাংক সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের নম্বর বা পাসওয়ার্ড বা পিন নম্বর বা ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুরোধ করা হলো।

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জরুরি নির্দেশনা দিল মাউশি

আপডেট সময় : ১০:৪৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

শিক্ষার্থীদের বৃত্তির টাকা যাতে বেহাত না হয়ে যায়, সে জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সতর্ক করে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে।

এতে বলা হয়, রাজস্ব খাতভুক্ত সব ধরনের বৃত্তি (পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও অনার্স) ও উপবৃত্তির (পেশামূলক ও তফসিলী) অর্থ ইএফটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তফসিলভুক্ত অনলাইন ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য বৃত্তির এমআইএস সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠান থেকে এন্ট্রি বা সংশোধন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে— সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাধারণ কলেজ, মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বুয়েট ও পাবলিক বা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান।

নির্দেশনায় জনানো হয়, বৃত্তি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা মাউশির ওয়েবসাইটের নোটিশ বোর্ডে আপলোড করা হয়। ফলে এ বিষয়ে কোনও তথ্য মাউশি থেকে প্রতিষ্ঠান বা অভিভাবক বা শিক্ষার্থীর থেকে চাওয়া হয় না। কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা বোর্ড, বিভিন্ন সরকারি অফিস ও বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে প্রতারক চক্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষার্থীর অভিভাবকের কাছ থেকে অর্থ, প্রতিষ্ঠানের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড, ব্যাংক সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এবং ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের পাসওয়ার্ড বা পিন নম্বর বা ওটিপি চাচ্ছে। অথচ বৃত্তির অর্থ পাঠানোর জন্য এ সংক্রান্ত কোনও তথ্য চাওয়া হয় না।

বিধায় যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার জন্য, ব্যাংক সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের নম্বর বা পাসওয়ার্ড বা পিন নম্বর বা ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনুরোধ করা হলো।

কেকে