বাগেরহাট এর ৪ টি আসন সংক্রান্ত রায় এর পরে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বাগেরহাট জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে জেলা আমীর মাওলানা রেজাউল করিম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রদান করেন।
এই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, প্রিয় বাগেরহাটবাসী আপনারা জানানেন গত ১০ নভেম্বর ২৫ বাগেরহাটের ৪ টি আসন বহাল রাখার জন্য হাইকোর্টের বেঞ্চ যে রায় দিয়ে বাগেরহাটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে সে জন্য জামায়াতে ইসলামী বাগেরহাট জেলা শাখার পক্ষ থেকে আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। এ অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য যেখানে যারা যে সব ভূমিকা রেখেছেন ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন, কষ্ট করেছেন, সাহায্য সহযোগিতা করেছেন, তাদের সকলকেই আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
জাতীয় সংসদে বাগেরহাটের ৪ টি আসন থেকে ১ টি কর্তন করে নির্বাচন কমিশনের ৩ টি আসন করার প্রস্তাব করার সাথে সাথে বাগেরহাটে যে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে সে প্রতিবাদে জামায়াতের আন্দোলনের পরিকল্পনা গ্রহণ থেকেই প্রথম কাতারে ও বলিষ্ঠ শক্তিশালী অংশগ্রহণ ছিল। আসন কর্তনের প্রতিবাদে জামায়াত মিছিল, হরতাল, অবরোধ, মানব বন্ধন,সভা, সমাবেশ, স্মারক লিপি প্রদান,নির্বাচন কমিশনে আপত্তি প্রদান, সহ সব সময় দাবি আদায়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এ আন্দোলন পরিচালনার জন্য সর্বদলীয় আন্দোলনের যে প্লাটফর্ম গঠন করা হয়েছে সেখানে ও জামায়াতের সক্রিয় ভূমিকা ছিল।
আন্দোলন সফল করার লক্ষ্যে রাজপথের আন্দোলনের সাথে আইনী লড়াইয়ে ও জামায়াতের সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে। সর্বদলীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক জনাব ব্যারিষ্টার জাকির হোসেনের নেতৃত্বে যে রিট পিটিশন দাখিল করা হয়, সে পিটিশনের যৌথ আবেদন কারীর মধ্যে জেলা আমীর মাওলানা রেজাউল করিম একজন। জনাব ব্যরিষ্টার জাকির হোসেনকে আইনী লড়াইয়ের দায়িত্ব ও দেয়া হয়।
এই মামলায় আপিল বিভাগে গাজীপুরের পক্ষে বিশিষ্ট আইনজীবী জনাব এডভোকেট শিশির মনির মামলাটি লড়াইয়ের যে গুঞ্জন ওঠে তার সর্বে মিথ্যা । তিনি আইনী লড়াই ও করছেন না বলে নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনগনের মধ্যে বিভ্রান্তি ও ভুল বার্তা যেতে পারে এমন ভাষা, বাক্য ও প্রচারনা থেকে বিরত থাকাই উত্তম।
মাওলানা রেজাউল করিম
জেলা আমীর বাগেরহাট
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
এমএস













