ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ‘MindBridge’ কাউন্সেলিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে মোঃ বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, সেবা নিলেন প্রায় ৭০০ মানুষ বাবার মৃত্যুতে পরীক্ষার আগের দিনই কাজ, সেই শিক্ষার্থীর পাশে ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিডিবিএফ কর্মচারী ইউনিয়নের সম্পাদক তাপস কুমার রায় বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি এনডিইউবি ইংরেজি বিভাগে শেকসপিয়ার দিবস উদযাপন তিতুমীর কলেজে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  মিঠামইনে শতদল ক্লাবের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কচুয়ায় পানের বরজে দুর্বৃত্তদের আগুন: ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, নিঃস্ব কৃষক বদর দিবস উপলক্ষে ইনসাফের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবেন না : ধর্ম উপদেষ্টা

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার চন্দ্রনাথ পাহাড়ে মসজিদ নির্মাণ নিয়ে ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, সরকার ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রোববার (২৪ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে ওয়াকফ হিসাব নিরীক্ষক, চট্টগ্রাম আয়োজিত মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের দেওয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে কোনো ধরনের মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি এবং এ বিষয়ে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সীতাকুণ্ড প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে, চন্দ্রনাথ পাহাড় দেশের একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

সম্প্রতি চন্দ্রনাথ পাহাড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দিরসংলগ্ন এলাকায় মসজিদ নির্মাণ করা হবে বলে একটি বার্তা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে নানামুখী প্রতিক্রিয়া শুরু হলে সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন বিবৃতিতে দিয়ে এ খবর ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে।

উপদেষ্টা বলেন, ওয়াকফ সম্পত্তি জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের জন্য সরকার নানা পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে আছে, ওয়াকফ সম্পত্তি ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন, ভাড়া ও ইজারা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং আয় বৃদ্ধি করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মসজিদ-মাদ্রাসা উন্নয়নসহ সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যয় নিশ্চিত করা। অনিয়ম ও দখলদারিত্ব রোধে ইতোমধ্যে নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, ওয়াকফ সম্পত্তি মুসলিম সমাজের আধ্যাত্মিক, শিক্ষামূলক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ সম্পত্তি রক্ষা করা আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। সারা দেশে প্রায় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪০০ একর ওয়াকফ জায়গা বেদখলে আছে। এগুলো উদ্ধার করে সমাজের ভালো কাজে ব্যবহার করতে হবে।

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ডাকসু নেতা বেলাল হোসাইন অপুর উদ্যোগে ‘MindBridge’ কাউন্সেলিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবেন না : ধর্ম উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার চন্দ্রনাথ পাহাড়ে মসজিদ নির্মাণ নিয়ে ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, সরকার ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রোববার (২৪ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে ওয়াকফ হিসাব নিরীক্ষক, চট্টগ্রাম আয়োজিত মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের দেওয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে কোনো ধরনের মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি এবং এ বিষয়ে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সীতাকুণ্ড প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে, চন্দ্রনাথ পাহাড় দেশের একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

সম্প্রতি চন্দ্রনাথ পাহাড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দিরসংলগ্ন এলাকায় মসজিদ নির্মাণ করা হবে বলে একটি বার্তা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে নানামুখী প্রতিক্রিয়া শুরু হলে সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন বিবৃতিতে দিয়ে এ খবর ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করে।

উপদেষ্টা বলেন, ওয়াকফ সম্পত্তি জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের জন্য সরকার নানা পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে আছে, ওয়াকফ সম্পত্তি ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন, ভাড়া ও ইজারা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং আয় বৃদ্ধি করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মসজিদ-মাদ্রাসা উন্নয়নসহ সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যয় নিশ্চিত করা। অনিয়ম ও দখলদারিত্ব রোধে ইতোমধ্যে নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, ওয়াকফ সম্পত্তি মুসলিম সমাজের আধ্যাত্মিক, শিক্ষামূলক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ সম্পত্তি রক্ষা করা আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। সারা দেশে প্রায় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪০০ একর ওয়াকফ জায়গা বেদখলে আছে। এগুলো উদ্ধার করে সমাজের ভালো কাজে ব্যবহার করতে হবে।

কেকে