ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি এনডিইউবি ইংরেজি বিভাগে শেকসপিয়ার দিবস উদযাপন তিতুমীর কলেজে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  মিঠামইনে শতদল ক্লাবের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কচুয়ায় পানের বরজে দুর্বৃত্তদের আগুন: ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, নিঃস্ব কৃষক বদর দিবস উপলক্ষে ইনসাফের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন নারী হেনস্থার প্রতিবাদে বাগেরহাটে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কড়াইল ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করল হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন

রাশিয়ার বিজয় দিবসে মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন পুতিন

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার বার্ষিক বিজয় দিবসের প্যারেডে অংশগ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে মোদির অংশগ্রহণ এখনো নিশ্চিত করেনি নয়াদিল্লি।

রাশিয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মিত্র শক্তির হাতে নাৎসি জার্মানির পরাজয়ের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবারের বিজয় দিবসকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় উদযাপন’ হিসেবে আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

৯ মে পালিত এই দিবসটি রাশিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ছুটির দিনগুলোর একটি, যেখানে রেড স্কয়ারে বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজ, সরঞ্জাম প্রদর্শনী এবং প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভাষণ থাকে মূল আকর্ষণ।

রাশিয়ার সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা ভারত ইউক্রেন যুদ্ধের পরও মস্কোর থেকে দূরে সরে যাওয়ার জন্য পশ্চিমা চাপ উপেক্ষা করে চলেছে। মস্কোর কাছ থেকে ভারত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করে এবং সম্প্রতি জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে রাশিয়া ভারতের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে—ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিজয় দিবস উদযাপনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন। নির্ধারিত সময়ে আমরা অংশগ্রহণ সংক্রান্ত ঘোষণা দেব।’

উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে এক বহুপাক্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে রাশিয়া গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এ বছর পরবর্তী সময়ে ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই আমন্ত্রণ ও সম্ভাব্য সফর রাশিয়া-ভারত কৌশলগত সম্পর্কের দৃঢ়তা এবং ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারতের ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতিরই প্রতিফলন।

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি

রাশিয়ার বিজয় দিবসে মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন পুতিন

আপডেট সময় : ০৩:০০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

রাশিয়ার বার্ষিক বিজয় দিবসের প্যারেডে অংশগ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে মোদির অংশগ্রহণ এখনো নিশ্চিত করেনি নয়াদিল্লি।

রাশিয়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মিত্র শক্তির হাতে নাৎসি জার্মানির পরাজয়ের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবারের বিজয় দিবসকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় উদযাপন’ হিসেবে আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

৯ মে পালিত এই দিবসটি রাশিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ছুটির দিনগুলোর একটি, যেখানে রেড স্কয়ারে বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজ, সরঞ্জাম প্রদর্শনী এবং প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভাষণ থাকে মূল আকর্ষণ।

রাশিয়ার সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা ভারত ইউক্রেন যুদ্ধের পরও মস্কোর থেকে দূরে সরে যাওয়ার জন্য পশ্চিমা চাপ উপেক্ষা করে চলেছে। মস্কোর কাছ থেকে ভারত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করে এবং সম্প্রতি জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে রাশিয়া ভারতের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে—ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিজয় দিবস উদযাপনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন। নির্ধারিত সময়ে আমরা অংশগ্রহণ সংক্রান্ত ঘোষণা দেব।’

উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে এক বহুপাক্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে রাশিয়া গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এ বছর পরবর্তী সময়ে ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই আমন্ত্রণ ও সম্ভাব্য সফর রাশিয়া-ভারত কৌশলগত সম্পর্কের দৃঢ়তা এবং ইউক্রেন যুদ্ধ-পরবর্তী নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারতের ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতিরই প্রতিফলন।

কেকে