ঢাকা ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বদর দিবস উপলক্ষে ইনসাফের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন নারী হেনস্থার প্রতিবাদে বাগেরহাটে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কড়াইল ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করল হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন ‎বাগেরহাটের ৪টি আসনের রিট নিয়ে নতুন বার্তা জেলা জামায়াত আমীরের‎ ঢাকা আলিয়ার স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে শিবিরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নোয়াখালীতে হামলার প্রতিবাদে বাগেরহাট পি.সি. কলেজে কোরআন বিতরণ বাগেরহাটে মাদ্রাসার গভর্নিং কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হুমকি-ধামকি ও মারধর সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার ফিকহ বিভাগে সাফল্যের জোয়ার

কুবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত

ছবি : সংগৃহীত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক কাজী এম. আনিছুল ইসলামের বিরুদ্ধে উত্তরসহ প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ৩য় বর্ষ ২য় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (১২ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান রাহাত।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি উড়ো মেইলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে অভিযোগ আসে। অভিযোগে বলা হয়, ওই বিভাগের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে শিক্ষক কাজী এম. আনিছুল ইসলামের ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি তাকে একাধিকবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে সহযোগিতা করেছেন।

এ বিষয়ে বিভাগের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান রাহাত বলেন, “বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় আলোচনা করে আগামীকালের পরীক্ষা স্থগিত করেছি। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”ওই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অনার্স ৩য় বর্ষের ২য় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা গত ২৪ শে ফেব্রুয়ারী শুরু হয়। এবং ৩ মার্চ ও ৬ মার্চ দুইটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল ১৩ মার্চ অভিযুক্ত শিক্ষকের কোর্স মোবাইল জার্নালিজম (এমসিজে ৩০৮) সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা ছিলো। যা প্রশ্নফাসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে কাজী এম আনিছুল ইসলাম বলেন, আমি ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অনেক সময় প্রশ্নের বিষয়ে ধারণা দিয়ে থাকি। এবং নোটও দিয়ে থাকি। এটাকে কাজে লাগিয়ে কেউ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে। যেটা ভিত্তিহীন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ নরুল করিম চৌধুরী বলেন, “আমার কাছে একটি উড়ো চিঠি এসেছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা বাস্তবায়ন করব।”

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এমএস

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বদর দিবস উপলক্ষে ইনসাফের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

কুবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক কাজী এম. আনিছুল ইসলামের বিরুদ্ধে উত্তরসহ প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ৩য় বর্ষ ২য় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার (১২ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান রাহাত।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একটি উড়ো মেইলের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে অভিযোগ আসে। অভিযোগে বলা হয়, ওই বিভাগের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে শিক্ষক কাজী এম. আনিছুল ইসলামের ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে এবং তিনি তাকে একাধিকবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাধ্যমে সহযোগিতা করেছেন।

এ বিষয়ে বিভাগের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান রাহাত বলেন, “বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় আলোচনা করে আগামীকালের পরীক্ষা স্থগিত করেছি। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”ওই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অনার্স ৩য় বর্ষের ২য় সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা গত ২৪ শে ফেব্রুয়ারী শুরু হয়। এবং ৩ মার্চ ও ৬ মার্চ দুইটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল ১৩ মার্চ অভিযুক্ত শিক্ষকের কোর্স মোবাইল জার্নালিজম (এমসিজে ৩০৮) সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা ছিলো। যা প্রশ্নফাসের অভিযোগে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে কাজী এম আনিছুল ইসলাম বলেন, আমি ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অনেক সময় প্রশ্নের বিষয়ে ধারণা দিয়ে থাকি। এবং নোটও দিয়ে থাকি। এটাকে কাজে লাগিয়ে কেউ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে। যেটা ভিত্তিহীন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ নরুল করিম চৌধুরী বলেন, “আমার কাছে একটি উড়ো চিঠি এসেছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা বাস্তবায়ন করব।”

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এমএস