ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মেটার নতুন ফিচার ‘কমিউনিটি নোটস’

ছবি : সংগৃহীত

সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট মেটা তথ্য যাচাইয়ের জন্য চালু করতে যাচ্ছে নতুন ফিচার ‘কমিউনিটি নোটস’। এটি মূলত টুইটারের (এক্স) ২০২১ সালে চালু করা ফিচারের অনুরূপ। ১৭ মার্চ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও থ্রেডসে এ সুবিধা চালু হবে, যেখানে দুই লাখ ব্যবহারকারী অংশ নিতে পারবেন।

নতুন পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীরা পোস্টের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ব্যাখ্যা বা নোট সংযুক্ত করতে পারবেন। এই কাজটি ফ্যাক্ট-চেকারদের পরিবর্তে সাধারণ ব্যবহারকারীরাই করবেন। শুধু ১৮ বছরের বেশি বয়সি এবং ছয় মাসের পুরোনো অ্যাকাউন্টধারীরা নোটস দিতে পারবেন। ব্যবহারকারীদের দেওয়া নোটগুলোর বিশ্লেষণে মেটার বিশেষ অ্যালগরিদম কাজ করবে, যা পোস্টের নির্ভরযোগ্যতা নির্ধারণে সহায়তা করবে।

মেটার দাবি, এ ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরাই যাচাইকৃত তথ্য যুক্ত করতে পারবেন, যা ভবিষ্যতে কনটেন্ট মডারেশনের কাজে ব্যবহৃত হবে। এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কেকে

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মেটার নতুন ফিচার ‘কমিউনিটি নোটস’

আপডেট সময় : ১১:১০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট মেটা তথ্য যাচাইয়ের জন্য চালু করতে যাচ্ছে নতুন ফিচার ‘কমিউনিটি নোটস’। এটি মূলত টুইটারের (এক্স) ২০২১ সালে চালু করা ফিচারের অনুরূপ। ১৭ মার্চ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও থ্রেডসে এ সুবিধা চালু হবে, যেখানে দুই লাখ ব্যবহারকারী অংশ নিতে পারবেন।

নতুন পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীরা পোস্টের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ব্যাখ্যা বা নোট সংযুক্ত করতে পারবেন। এই কাজটি ফ্যাক্ট-চেকারদের পরিবর্তে সাধারণ ব্যবহারকারীরাই করবেন। শুধু ১৮ বছরের বেশি বয়সি এবং ছয় মাসের পুরোনো অ্যাকাউন্টধারীরা নোটস দিতে পারবেন। ব্যবহারকারীদের দেওয়া নোটগুলোর বিশ্লেষণে মেটার বিশেষ অ্যালগরিদম কাজ করবে, যা পোস্টের নির্ভরযোগ্যতা নির্ধারণে সহায়তা করবে।

মেটার দাবি, এ ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরাই যাচাইকৃত তথ্য যুক্ত করতে পারবেন, যা ভবিষ্যতে কনটেন্ট মডারেশনের কাজে ব্যবহৃত হবে। এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কেকে