ঢাকা ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন নারী হেনস্থার প্রতিবাদে বাগেরহাটে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কড়াইল ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করল হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন ‎বাগেরহাটের ৪টি আসনের রিট নিয়ে নতুন বার্তা জেলা জামায়াত আমীরের‎ ঢাকা আলিয়ার স্বাস্থ্যকর ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে শিবিরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান নোয়াখালীতে হামলার প্রতিবাদে বাগেরহাট পি.সি. কলেজে কোরআন বিতরণ বাগেরহাটে মাদ্রাসার গভর্নিং কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হুমকি-ধামকি ও মারধর সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার ফিকহ বিভাগে সাফল্যের জোয়ার শরীয়তপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে হেযবুত তাওহীদের মতবিনিময় সভা

পানামা খাল ও গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা চান ট্রাম্প, দিলেন বল প্রয়োগের সম্ভাবনা

ডোনাল্ড ট্রাম্প (ছবি : সংগৃহীত)

পানামা খাল ও গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ পেতে প্রয়োজনে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করবেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও আদৌ তিনি সে চাপ প্রয়োগ করবেন কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চয়তা দেননি। মঙ্গলবার ফ্লোরিডার রিসোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য, ওই দুটি এলাকা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পানামা খাল বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রথম দিকে এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে ছিল, তবে ১৯৯৯ সালে খালটির নিয়ন্ত্রণ পানামার হাতে চলে যায়। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর পানামার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হ্যাভিয়ের মার্তিনেজ-আচা স্পষ্টভাবে বলেছেন, পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ কেবল পানামার জনগণের হাতে। এটি তাদের হাতেই থাকবে।

এ ছাড়া, গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার ব্যাপারে ট্রাম্প আগেও তার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মিতে ফ্রেডরিকসেন ট্রাম্পের মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘আমরা ঘনিষ্ঠ মিত্র ও অংশীদার। অর্থনৈতিক লাভের জন্য একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করা ভালো কিছু নয়।’

এদিকে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করতে অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৃত্রিমভাবে আঁকা রেখা থেকে মুক্তি পেলে, এটি জাতীয় সুরক্ষার জন্যও ভালো হবে। ভুলে যাবেন না, আমরা মূলত কানাডাকে রক্ষা করি।

আগামী ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও তার ক্ষমতায় বসতে এখনো কয়েকদিন বাকি। এর মধ্যেই নিজের আক্রমণাত্মক বৈদেশিক নীতির রূপরেখা প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। এতে স্পষ্ট, ট্রাম্প আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কূটনৈতিক সতর্কতা বা মার্কিন মিত্রদের উদ্বেগকে খুব বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

খবর: রয়টার্স

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

পানামা খাল ও গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা চান ট্রাম্প, দিলেন বল প্রয়োগের সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৫:০৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

পানামা খাল ও গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ পেতে প্রয়োজনে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করবেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও আদৌ তিনি সে চাপ প্রয়োগ করবেন কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চয়তা দেননি। মঙ্গলবার ফ্লোরিডার রিসোর্টে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য, ওই দুটি এলাকা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পানামা খাল বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রথম দিকে এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে ছিল, তবে ১৯৯৯ সালে খালটির নিয়ন্ত্রণ পানামার হাতে চলে যায়। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর পানামার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হ্যাভিয়ের মার্তিনেজ-আচা স্পষ্টভাবে বলেছেন, পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ কেবল পানামার জনগণের হাতে। এটি তাদের হাতেই থাকবে।

এ ছাড়া, গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার ব্যাপারে ট্রাম্প আগেও তার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মিতে ফ্রেডরিকসেন ট্রাম্পের মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘আমরা ঘনিষ্ঠ মিত্র ও অংশীদার। অর্থনৈতিক লাভের জন্য একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করা ভালো কিছু নয়।’

এদিকে কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করতে অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৃত্রিমভাবে আঁকা রেখা থেকে মুক্তি পেলে, এটি জাতীয় সুরক্ষার জন্যও ভালো হবে। ভুলে যাবেন না, আমরা মূলত কানাডাকে রক্ষা করি।

আগামী ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও তার ক্ষমতায় বসতে এখনো কয়েকদিন বাকি। এর মধ্যেই নিজের আক্রমণাত্মক বৈদেশিক নীতির রূপরেখা প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। এতে স্পষ্ট, ট্রাম্প আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কূটনৈতিক সতর্কতা বা মার্কিন মিত্রদের উদ্বেগকে খুব বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

খবর: রয়টার্স

কেকে