ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কাজা রোজা রাখার নিয়ম কি?

ছবি : সংগৃহীত

প্রশ্ন: কাজা রোজা রাখার নিয়ম বলবেন কি?

উত্তর: শরিয়ত অনুমোদিত কোনো কারণে সময় মতো রোজা পালন করতে না পারলে অথবা রোজা রেখে ভেঙে ফেললে পরে তা আদায় করাকেই কাজা বলে।

যত দ্রুত সম্ভব কাজা রোজা আদায় করে নেয়া কর্তব্য। তাই ঈদের পরপর-ই যথাসম্ভব দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজা রোজা আদায় শুরু করা উত্তম।

কোনো কারণ ছাড়া কাজা রোজা আদায় করতে বিলম্ব করা মাকরুহ। এক রমজানের কাজা রোজাগুলো আগামী রমজান আসার আগে আদায় করে নেয়া ওয়াজিব।

যদি বিনা কারণে আগামী রমজান পর্যন্ত বিলম্ব করে, তাহলে গুনাহগার হবে। বছরের যে কোনো দিন কাজা রোজা আদায় করা যাবে। এ ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ দিনগুলো বাদ দিতে হবে।

অর্থাৎ যেসব দিনে রোজা রাখা ইসলামী শরীয়তে নিষিদ্ধ সেসব দিন বাদ দিতে হবে। যেমন ঈদ উল ফিতরের দিন, ঈদ উল আযহারের তিন দিন ইত্যাদি।

তবে এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি যদি বছরের নির্দিষ্ট কোনো দিনে রোজা রাখবে বলে মানত করে, তাহলে সেই দিনও কাজা রোজা আদায় করা যাবে না।

পিরিয়ডের কারণে যেসব নারী রমজানের সবগুলো রোজা রাখতে পারেননি, তারাও উপরোক্ত নিয়ম অনুসরণ করবে। (বুখারি শরিফ, হাদিস : ১৯৫০, মুসলিম, হাদিস: ১১৪৬)

কাজা রোজা ও রমজানের রোজার নিয়তের সময়ের মধ্যে পার্থক্য:

রমজানে দ্বিপ্রহরের আগ পর্যন্ত নিয়তের সুযোগ থাকলেও কাজা রোজার ক্ষেত্রে তেমনটি নেই; বরং কাজা রোজার নিয়ত সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার আগেই করতে হবে।

দিনের বেলা কাজা রোজার নিয়ত করলেও তা নফল রোজা হিসেবে গণ্য হয়। (কিতাবুল আছল, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১৬৪)

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কাজা রোজা রাখার নিয়ম কি?

আপডেট সময় : ০৮:০৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ মার্চ ২০২৫

প্রশ্ন: কাজা রোজা রাখার নিয়ম বলবেন কি?

উত্তর: শরিয়ত অনুমোদিত কোনো কারণে সময় মতো রোজা পালন করতে না পারলে অথবা রোজা রেখে ভেঙে ফেললে পরে তা আদায় করাকেই কাজা বলে।

যত দ্রুত সম্ভব কাজা রোজা আদায় করে নেয়া কর্তব্য। তাই ঈদের পরপর-ই যথাসম্ভব দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজা রোজা আদায় শুরু করা উত্তম।

কোনো কারণ ছাড়া কাজা রোজা আদায় করতে বিলম্ব করা মাকরুহ। এক রমজানের কাজা রোজাগুলো আগামী রমজান আসার আগে আদায় করে নেয়া ওয়াজিব।

যদি বিনা কারণে আগামী রমজান পর্যন্ত বিলম্ব করে, তাহলে গুনাহগার হবে। বছরের যে কোনো দিন কাজা রোজা আদায় করা যাবে। এ ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ দিনগুলো বাদ দিতে হবে।

অর্থাৎ যেসব দিনে রোজা রাখা ইসলামী শরীয়তে নিষিদ্ধ সেসব দিন বাদ দিতে হবে। যেমন ঈদ উল ফিতরের দিন, ঈদ উল আযহারের তিন দিন ইত্যাদি।

তবে এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি যদি বছরের নির্দিষ্ট কোনো দিনে রোজা রাখবে বলে মানত করে, তাহলে সেই দিনও কাজা রোজা আদায় করা যাবে না।

পিরিয়ডের কারণে যেসব নারী রমজানের সবগুলো রোজা রাখতে পারেননি, তারাও উপরোক্ত নিয়ম অনুসরণ করবে। (বুখারি শরিফ, হাদিস : ১৯৫০, মুসলিম, হাদিস: ১১৪৬)

কাজা রোজা ও রমজানের রোজার নিয়তের সময়ের মধ্যে পার্থক্য:

রমজানে দ্বিপ্রহরের আগ পর্যন্ত নিয়তের সুযোগ থাকলেও কাজা রোজার ক্ষেত্রে তেমনটি নেই; বরং কাজা রোজার নিয়ত সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার আগেই করতে হবে।

দিনের বেলা কাজা রোজার নিয়ত করলেও তা নফল রোজা হিসেবে গণ্য হয়। (কিতাবুল আছল, খন্ড: ২, পৃষ্ঠা: ১৬৪)

কেকে