ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি এনডিইউবি ইংরেজি বিভাগে শেকসপিয়ার দিবস উদযাপন তিতুমীর কলেজে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  মিঠামইনে শতদল ক্লাবের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কচুয়ায় পানের বরজে দুর্বৃত্তদের আগুন: ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, নিঃস্ব কৃষক বদর দিবস উপলক্ষে ইনসাফের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন নারী হেনস্থার প্রতিবাদে বাগেরহাটে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কড়াইল ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করল হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন

স্থিতিশীল সবজির বাজার, দাম বাড়ল যেসব পণ্যের

ছবি : সংগৃহীত

রমজান এলেই নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের দাম বাড়ার অনিয়মই যেন পরিণত হয়েছিল নিয়মে, তবে ব্যতিক্রম এ বছর। বেগুন, লেবুসহ দু-একটা পণ্যের দাম বাড়লেও স্থিতিশীল আছে প্রায় অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম।

শুক্রবার (৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির এমন দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

এছাড়া কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বড় লেবু প্রতি হালি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় এবং ধনেপাতা প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম বেড়েছে বেগুন, আলু আর লেবুর।

রাজধানীর খিলক্ষেত বাজারে আসা শাহ আলম বলেন, বাজারে দাম তুলনামূলক কমই আছে তবে নির্দিষ্ট দুই-একটি সবজির দাম অতিরিক্ত বেশি। প্রতি রমজান মাসেই বেগুন, লেবুর দাম কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনা কেউ। আজও বেগুনের দাম অতিরিক্ত বেশি, এছাড়া লেবু কিনতে হচ্ছে ১০০ টাকা হালি। আলুর দাম কিছুটা বেড়েছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আসা ফিরোজ বলেন, বাজারে সবধরনের সবজির দাম এখনও সহনীয় রয়েছে। অন্য সবজির দাম যে কম সেজন্য সাধুবাদ জানাই, তবে বেগুন লেবুর দাম এত বেশি তার জন্য প্রতিবাদ জানাতে হয়। বাকি ওই সবজিগুলো এখন মৌসুম না হয় দাম বেশি, সেটা মেনে নিলাম। কিন্তু লেবু বেগুন এত দাম এ বিষয়ে কেন আগে থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো না?

এদিন বিভিন্ন দোকান ঘুরে, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইফতারিতে বহুল ব্যবহৃত লেবুর দাম কিছুটা কমে এসেছে , আবার বেগুনের দাম কিছুটা বাড়তি। স্থিতিশীল দেখা যায় ছোলা, বুট ও ডালের দাম।

আজকের বাজারে ঝিঙা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, ক্ষীরা ৫০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, পটল ১২০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে। ফুল কপি প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাধা কপি ৩০, গাজর প্রতি কেজি ৩০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, শিম ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। জালি কুমড়া প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, আলু প্রতি কেজি ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি

স্থিতিশীল সবজির বাজার, দাম বাড়ল যেসব পণ্যের

আপডেট সময় : ০২:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫

রমজান এলেই নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের দাম বাড়ার অনিয়মই যেন পরিণত হয়েছিল নিয়মে, তবে ব্যতিক্রম এ বছর। বেগুন, লেবুসহ দু-একটা পণ্যের দাম বাড়লেও স্থিতিশীল আছে প্রায় অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম।

শুক্রবার (৭ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির এমন দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

এছাড়া কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বড় লেবু প্রতি হালি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় এবং ধনেপাতা প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম বেড়েছে বেগুন, আলু আর লেবুর।

রাজধানীর খিলক্ষেত বাজারে আসা শাহ আলম বলেন, বাজারে দাম তুলনামূলক কমই আছে তবে নির্দিষ্ট দুই-একটি সবজির দাম অতিরিক্ত বেশি। প্রতি রমজান মাসেই বেগুন, লেবুর দাম কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনা কেউ। আজও বেগুনের দাম অতিরিক্ত বেশি, এছাড়া লেবু কিনতে হচ্ছে ১০০ টাকা হালি। আলুর দাম কিছুটা বেড়েছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আসা ফিরোজ বলেন, বাজারে সবধরনের সবজির দাম এখনও সহনীয় রয়েছে। অন্য সবজির দাম যে কম সেজন্য সাধুবাদ জানাই, তবে বেগুন লেবুর দাম এত বেশি তার জন্য প্রতিবাদ জানাতে হয়। বাকি ওই সবজিগুলো এখন মৌসুম না হয় দাম বেশি, সেটা মেনে নিলাম। কিন্তু লেবু বেগুন এত দাম এ বিষয়ে কেন আগে থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো না?

এদিন বিভিন্ন দোকান ঘুরে, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইফতারিতে বহুল ব্যবহৃত লেবুর দাম কিছুটা কমে এসেছে , আবার বেগুনের দাম কিছুটা বাড়তি। স্থিতিশীল দেখা যায় ছোলা, বুট ও ডালের দাম।

আজকের বাজারে ঝিঙা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, ক্ষীরা ৫০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, পটল ১২০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে। ফুল কপি প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাধা কপি ৩০, গাজর প্রতি কেজি ৩০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, শিম ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। জালি কুমড়া প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, আলু প্রতি কেজি ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কেকে