ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি এনডিইউবি ইংরেজি বিভাগে শেকসপিয়ার দিবস উদযাপন তিতুমীর কলেজে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  মিঠামইনে শতদল ক্লাবের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কচুয়ায় পানের বরজে দুর্বৃত্তদের আগুন: ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, নিঃস্ব কৃষক বদর দিবস উপলক্ষে ইনসাফের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন নারী হেনস্থার প্রতিবাদে বাগেরহাটে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কড়াইল ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করল হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিরূপ নদীভাঙন

ছবিঃ আজকের প্রবাহ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নদীভাঙন বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলীয় নদীগুলোতে এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের কারণে নদীগুলোর তীর ভেঙে যাচ্ছে এবং এর ফলে হাজার হাজার মানুষ ভিটেমাটি হারাচ্ছে। গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের নদীগুলোতে বছরে প্রায় ৬০০ থেকে ৯০০ কিলোমিটার নদীতীর ভাঙন হচ্ছে। নদীভাঙনের ফলে প্রায় প্রতি বছর লক্ষাধিক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, ও ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নদীর পানির প্রবাহ বেড়ে যায়, ফলে তীব্র স্রোত সৃষ্টি হয় যা নদীতীরের মাটি দুর্বল করে দেয়। এর ফলে নদীভাঙন আরও ত্বরান্বিত হয়। নদীভাঙনের ফলে শুধু বসতবাড়ি নয়, কৃষি জমি এবং রাস্তাঘাটও ধ্বংস হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকার বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যেমন নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প, বাঁধ নির্মাণ, এবং তীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা।

তবে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশল প্রয়োজন।

জান্নাতুন নাঈমা চাঁদনী

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিরূপ নদীভাঙন

আপডেট সময় : ০৬:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নদীভাঙন বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলীয় নদীগুলোতে এই সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের কারণে নদীগুলোর তীর ভেঙে যাচ্ছে এবং এর ফলে হাজার হাজার মানুষ ভিটেমাটি হারাচ্ছে। গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশের নদীগুলোতে বছরে প্রায় ৬০০ থেকে ৯০০ কিলোমিটার নদীতীর ভাঙন হচ্ছে। নদীভাঙনের ফলে প্রায় প্রতি বছর লক্ষাধিক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর মধ্যে পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, ও ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নদীর পানির প্রবাহ বেড়ে যায়, ফলে তীব্র স্রোত সৃষ্টি হয় যা নদীতীরের মাটি দুর্বল করে দেয়। এর ফলে নদীভাঙন আরও ত্বরান্বিত হয়। নদীভাঙনের ফলে শুধু বসতবাড়ি নয়, কৃষি জমি এবং রাস্তাঘাটও ধ্বংস হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকার বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যেমন নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্প, বাঁধ নির্মাণ, এবং তীর সংরক্ষণ ব্যবস্থা।

তবে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশল প্রয়োজন।

জান্নাতুন নাঈমা চাঁদনী