ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি এনডিইউবি ইংরেজি বিভাগে শেকসপিয়ার দিবস উদযাপন তিতুমীর কলেজে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত  মিঠামইনে শতদল ক্লাবের বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কচুয়ায় পানের বরজে দুর্বৃত্তদের আগুন: ৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি, নিঃস্ব কৃষক বদর দিবস উপলক্ষে ইনসাফের কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন নারী হেনস্থার প্রতিবাদে বাগেরহাটে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল কড়াইল ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করল হাসি ফোঁটাও ফাউন্ডেশন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুখবর দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুখবর দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শিগগিরই সাড়ে ৬ হাজার শূন্য প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ ঘোষণা দেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ইতিমধ্যে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হয়েছে। সেই সঙ্গে সাড়ে ৬ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ড. ইউনূস বলেন, সব স্কুলে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বসানো হয়েছে। যেসব এলাকায় এখনো বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি, সেখানে সংযোগ দেওয়ার কাজ চলমান। পাশাপাশি নতুন স্কুল ভবন নির্মাণে নারী স্থপতিদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকের পড়াশোনার পদ্ধতিগত পরিবর্তনের দিকেও আমরা মনোযোগ দিচ্ছি। সব স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগ ও মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের কমপক্ষে ১০০টি স্কুলে এ বছরের মধ্যেই ই-লার্নিং চালু হবে। ঢাকা চট্টগ্রামের অভিজ্ঞ শিক্ষকরা প্রযুক্তির সহায়তায় এসব স্কুলে শিক্ষকতা করে সেখানকার শিক্ষক ঘাটতি পূরণ করবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৫০২টি অনুমোদিত প্রধান শিক্ষক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৩১ হাজার ৩৯৬ জন। ফলে ৩৪ হাজার ১০৬টি পদ শূন্য রয়েছে।

এর মধ্যে সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদ ২ হাজার ৬৪৭টি। ১০% সংরক্ষণ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট ২ হাজার ৩৮২টি পদে সরাসরি নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কাছে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এছাড়া সহকারী শিক্ষক পদ থেকে পদোন্নতির মাধ্যমে ৩১ হাজার ৪৫৯টি পদ পূরণের পরিকল্পনাও রয়েছে, যা একটি চলমান সিভিল আপিল মামলা নিষ্পত্তির পর কার্যকর হবে।

কেকে

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সুন্দরবন রক্ষায় ইনসাফের মানববন্ধন, উত্থাপন ১০ দফা দাবি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুখবর দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:২৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুখবর দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শিগগিরই সাড়ে ৬ হাজার শূন্য প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ ঘোষণা দেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল ইতিমধ্যে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হয়েছে। সেই সঙ্গে সাড়ে ৬ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ড. ইউনূস বলেন, সব স্কুলে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বসানো হয়েছে। যেসব এলাকায় এখনো বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি, সেখানে সংযোগ দেওয়ার কাজ চলমান। পাশাপাশি নতুন স্কুল ভবন নির্মাণে নারী স্থপতিদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিকের পড়াশোনার পদ্ধতিগত পরিবর্তনের দিকেও আমরা মনোযোগ দিচ্ছি। সব স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগ ও মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের কমপক্ষে ১০০টি স্কুলে এ বছরের মধ্যেই ই-লার্নিং চালু হবে। ঢাকা চট্টগ্রামের অভিজ্ঞ শিক্ষকরা প্রযুক্তির সহায়তায় এসব স্কুলে শিক্ষকতা করে সেখানকার শিক্ষক ঘাটতি পূরণ করবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৫০২টি অনুমোদিত প্রধান শিক্ষক পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৩১ হাজার ৩৯৬ জন। ফলে ৩৪ হাজার ১০৬টি পদ শূন্য রয়েছে।

এর মধ্যে সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদ ২ হাজার ৬৪৭টি। ১০% সংরক্ষণ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট ২ হাজার ৩৮২টি পদে সরাসরি নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কাছে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এছাড়া সহকারী শিক্ষক পদ থেকে পদোন্নতির মাধ্যমে ৩১ হাজার ৪৫৯টি পদ পূরণের পরিকল্পনাও রয়েছে, যা একটি চলমান সিভিল আপিল মামলা নিষ্পত্তির পর কার্যকর হবে।

কেকে